ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট ভর্তিচ্ছুদের সংকট: HSC নাকি ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিটে ভর্তি হবার স্বপ্ন দেখছ, অথচ উচ্চ মাধ্যমিকের ধাপটাই পেরোনো হয়নি এখনও। করোনা সংকটের এই অবসরে তাহলে কীভাবে প্রস্তুতি নেওয়া যায়? এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে এসেছে Tickright।

তোমরা, এইচ এস সি ২০২০ পরীক্ষার্থীরা মনে হয় করোনা পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়ে গেছো। অন্যান্য বছর এই সময়ে যেখানে বোর্ড পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়ে যায় সেখানে তোমাদের পরীক্ষারই “কী হয় কখন হয়” অবস্থা। আবার এর পরপরই ভর্তিযুদ্ধে নামতে হবে।

ঠিক সেজন্যই তোমরা এখন HSC এর পড়াগুলো পড়বে নাকি ভর্তি পরীক্ষার প্রস্ততি নেবে তা নিয়ে একটা দ্বন্দ্বে আছো। কাজেই বাকি সবাই যখন ঘরে বসে খেয়েদেয়ে ঘুমিয়ে বা রান্নাবান্না করে বেশ একটা ভ্যাকেশন সময় কাটাচ্ছে, তোমরা দিন কাটাচ্ছ বাজে ধরণের মানসিক অশান্তিতে।

ভয় নেই, এই অশান্তি দূর করতেই আমরা নিয়ে এসেছে সমাধান। আজকে আমরা কথা বলব মানবিক বিভাগ বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিটে ভর্তিচ্ছুরা অবকাশের সময়টাকে কিভাবে ব্যবহার করতে পারো সেটা নিয়ে।

পার্থক্য কিন্তু বেশি নেই

আসলে কিন্তু উচ্চ মাধ্যমিক আর ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। একটু পরেই সেটা বুঝতে পারবে। আপাতত জেনে নেই মানবিক বিভাগের জন্য উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে কী কী বিষয় পড়ানো হয়।

বাংলা, ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি তোমাদের আবশ্যিক বিষয়। এছাড়া অর্থনীতি, পৌরনীতি ও সুশাসন, ভূগোল, ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, যুক্তিবিদ্যা, ইসলাম শিক্ষা, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, পরিসংখ্যান, মনোবিজ্ঞান সহ প্রায় ২৬ টি ঐচ্ছিক বিষয় রয়েছে মানবিকে। এর মধ্যে যেকোনো চারটি বিষয় নিয়ে মোট ৭ টি বিষয় এই দুই বছরে তোমাদের পাঠ্য।

আর খ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় তোমাদের অংশগ্রহণ করতে হয় তিনটি বিষয়ে : বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান। চলো এবার দেখি HSC-র পাশাপাশি এই সময়ে ভর্তি পরীক্ষার জন্য এই তিন বিষয়ে তোমরা কীভাবে তৈরি হতে পারো।

বাংলা

বাংলা প্রথম পত্র কিন্তু সহজ

ভর্তির জন্য বাংলার প্রস্তুতিটা অনেকটাই HSC এর মতোই। বিশেষত বাংলা প্রথম পত্র। আমার বিশ্বাস তোমরা ইতোমধ্যে “সাহিত্য পাঠ” ও “সহপাঠ” বই দুটি থেকে সিলেবাসের অংশগুলো খুব ভালোভাবে পড়ে ফেলেছ। যদি না পড়ে থাক, তাহলে চর্চা করতে থাকো। কারণ তোমরা জানো উচ্চ মাধ্যমিকে বাংলা প্রশ্ন খুব সহজ হয় না। তবে সহজ হয়ে যাবে যদি গদ্য পদ্য উপন্যাস আর নাটক নিখুঁতভাবে পড়ে ফেলতে পারো।

নৈর্ব্যক্তিক অংশ কীভাবে পড়ব?

নৈর্ব্যক্তিক অংশের জন্য প্রতিটি লাইন, কবিতার প্রতিটি চরণ গুরুত্বপূর্ণ।

  • কোনো গল্পে বা কবিতায় কোনো শব্দ বা বাক্য ঘন ঘন এলে গুনে ফেলো ঠিক কতবার তার উল্লেখ আছে।
  • কোনো রচনায় কয়টি ও কী কী নদীর নাম, পাখির নাম, ধর্মের নাম, প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ আছে সেগুলো লিখে ফেলো আর বারবার করে পড়
  • নাটক ও উপন্যাস অনেক বড় জানি, ধৈর্য ধরে পুরোটা পড়া অনেক জটিলও বটে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ উক্তি বা ঘটনাগুলো কে বা কারা করেছে বা ঘটিয়েছে, কখন ঘটেছে, কোন উক্তি কার এবং কী প্রসঙ্গে সেগুলো মার্ক করে পড়তে থাকো।

তবে লিখিত অংশে কি করবো?

লিখিত অংশের জন্য গল্প এবং উপন্যাসের চরিত্রগুলো বোঝার চেষ্টা কর, যেটাকে ইংরেজিতে বলে Character Study।

  • কোন চরিত্র কোন উক্তিটি কেন করলো, কোন ঘটনা কেন ঘটাল সেগুলোও বোঝার চেষ্টা কর।
  • প্রবন্ধ ও কবিতায় লেখক বা কবি কোন কথা দ্বারা কী বোঝাতে চেয়েছেন সেটাও অনুধাবন করার চেষ্টা করবে।

সবচেয়ে ভালো হয় নিজে নিজেই ব্যাখ্যাগুলো গুছিয়ে লেখার অভ্যাস করলে, এতে উপস্থিত লেখনীর ক্ষমতা বাড়বে। যা এইচ এস সি এবং ভর্তি পরীক্ষা উভয় ক্ষেত্রেই কাজে আসবে।

বাংলা ২য় পত্র এবং ফাঁকিবাজি

বাংলা ২য় পত্রে একটু আধটু ফাঁকিবাজি আমরা সবাই করি। কীরকম? যেমন সমাস, প্রকৃতি-প্রত্যয়, কারক-বিভক্তি এই জিনিসগুলোতে যেহেতু অপশন থাকে তাই আমরা এগুলোর গভীরে যেতে চাই না। কিছু কিছু জিনিস একরকম মুখস্ত করে ফেলি যাতে মোটামুটি উত্তর করা যায়।

এই অভ্যাসের সমস্যাটা কী জানো? ভর্তি পরীক্ষায় যখন আনকমন প্রশ্ন আসে আমাদের জ্ঞানের দৌড় মাপার জন্য, বেশিরভাগই তখন পিছিয়ে পড়ে। তোমরা তো ভালোই সময় পাচ্ছ, তাহলে বিষয়গুলো গভীরভাবে বোঝার চেষ্টা করো। জানি খুব খটমটে, তবুও একটু কষ্ট করাটা তোমার লাভ ছাড়া ক্ষতি করবে না।

কাজেই ব্যাকরণ ক্লাসে পদ, বাক্য, লিঙ্গ, বচন, উপসর্গ, সমাস, সন্ধি, প্রকৃতি-প্রত্যয়, কারক-বিভক্তি, ণ-ত্ব ষ-ত্ব বিধান ইত্যাদি যেগুলো হয়তো ঘুমের মহৌষধ হিসেবে কাজ করতো, সেগুলোর নিয়মগুলোকে পোস্ট মর্টেম করার একটা চেষ্টা করে দেখোই না!

কোন বই পড়বো এবং অন্যান্য

বাংলা প্রথম পত্রের ক্ষেত্রে তোমার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য পাঠ ও সহপাঠ বই দুটিই। আর Tickright এর মাধ্যমে পূর্ববর্তী বছরের HSC এবং ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নগুলো পেয়ে যাবে হাতের নাগালে। সেগুলো একটু নাড়াচাড়া করলেই প্রশ্নের ধরণ সম্পর্কে একটা ধারণা হয়ে যাবে তোমাদের।

কাজেই অন্য কোনো গাইড বই পড়ার প্রয়োজন নেই বলে আমি মনে করি। কিন্তু দ্বিতীয় পত্রের জন্য ভালো ব্যাকরণের একটি বই আবশ্যক। এক্ষেত্রে হায়াৎ মামুদের উচ্চতর ভাষা শিক্ষা বইটি একটি মাইলফলক; তবে ইদানিং কালের তুলনায় একটু পুরনো ধাঁচের।

সেক্ষেত্রে উচ্চ মাধ্যমিকের ভালো যেকোনো বই পাশাপাশি রাখতে পারো। আমি পড়েছিলাম মিজানুর রহমান সরকার এরপ্রত্যয় বাংলা ব্যাকরণ ও রচনা । আমার বিশ্বাস দুটি পরীক্ষার জন্যেই বাংলা দ্বিতীয় পত্রের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে এইই যথেষ্ট।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিটের বাংলা প্রস্তুতির আরও খুঁটিনাটি জানতে চলে যাও এই লিঙ্কে

ইংরেজি

ইংরেজি আমরা যারা পড়ি তাদের মধ্যে তিনটা group আছে। প্রথম হলো তারা, যারা ভালোমত পড়ে, গ্রামারের নিয়মগুলো বোঝে এবং পরীক্ষার সময় সুন্দরভাবে ব্যবহার করতে পারে।

দ্বিতীয় group হলো যারা ধরেই নেয় এটা একটা কঠিন সাবজেক্ট, তাদের জন্য ইংরেজি এক মূর্তিমান বিভীষিকা। তৃতীয় group এর ঠিক উল্টো। তারা স্কুল কলেজের শিক্ষকদের চেয়েও নিজেদের ইংরেজিতে বেশি জ্ঞানী মনে করে এবং গ্রামার পড়ার দরকার মনে করে না।

প্রথম Group? চমৎকার!

তুমি যদি প্রথম group-এর হও, তাহলে তুমি চমৎকার ট্র্যাকে আছ। তার পাশাপাশি English For Today টাও যদি খুব ভালোভাবে তোমার পড়া থাকে, ঠিক মুখস্ত না, বুঝে এবং আনন্দ নিয়ে, তাহলে HSC বা ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি নিয়ে টেনশন করার কোনো কারণ নেই।

টেনশন টেনশন!

তবে যদি তুমি দ্বিতীয় বা তৃতীয় group এর হও তাহলে টেনশনের যথেষ্ট কারণ আছে। যারা ইংরেজিকে ভয় পাও, প্রধান কারণ হতে পারে তুমি মুখস্ত করার চেষ্টা করছো। তার চেয়ে বরং গ্রামারের নিয়মগুলো একটু বোঝার চেষ্টা করো।English For Today এর গল্পগুলো মজা করে পড়।

নতুন শব্দ শিখলে লিখে রাখ আর বাক্যের মাধ্যমে মনে রাখার চেষ্টা করো। মাঝে মাঝে কোনো বিষয়ে ইংরেজিতে প্যারাগ্রাফ লিখে ফেলতে পারো, এতে আত্মবিশ্বাসও বাড়বে আর লেখায় স্বতঃস্ফূর্ততা আসবে। মনে রাখবে, ইংরেজিকে যত শক্ত মনে করবে, সে ততই শক্ত হতে থাকবে।

Underestimate করলেন তো হেরে গেলেন

কিন্তু বেশি সহজ মনে করে পড়াটাই বাদ দিয়ে দিলে আরো বিপদে পড়তে পারো। হয়ত খুব fluenty তুমি ইংরেজিতে বলতে ও লিখতে পারো। সেটাই তো শেষ কথা নয়। অনেক খুঁটিনাটি ব্যাপার আছে যেগুলো হয়ত তুমি না ছুঁয়েই চলে যাচ্ছ কারণ তুমি ভাবছ তুমি সব জানো।

তার চেয়ে গ্রামার বইটা একটু ঘাঁটো, রুলগুলোর ভেতরে যাবার চেষ্টা করো। একটু ফাঁকা পেলে পড়া গল্পগুলোই আবার পড়, কে জানে নতুন কিছু জানতেও তো পারো।

ইংরেজির জন্য কোন বই পড়া উচিৎ

গ্রামারের সহায়তার জন্য Advanced Learner’s Communicative English নামে সবুজ মলাটের বইটা প্রায় সবারই আছে, সেখান থেকে রুলগুলো বারবার পড়বে। এছাড়া A Potential English Grammar and Composition বইটিও তোমার কাজে আসবে।

আলাদা করে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য Apex English বইটা তোমাকে সাহায্য করবে। আর Vocabulary বাড়ানোর জন্য পড়তে পারো Cliff’s TOEFL কিংবা Barron’s TOEFL অথবা Word Smart I

যেহেতু প্রত্যেকের পড়ার ধরণ আলাদা তাই Tickright তোমাদের দিচ্ছে custom-design টেস্টের সুবিধা। সেখানে তোমরা পাবে বিশাল ভার্চুয়াল প্রশ্নব্যাংক। সেখান থেকে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশ্ন সাজিয়ে যতবার ইচ্ছে নিজেকে যাচাই করার সুযোগ রয়েছে তোমাদেরই হাতে।

সাধারণ জ্ঞান

এটা হলো আমাদের সবার আসল মাথাব্যথা। এত বিশাল বিশাল সাধারণ জ্ঞানের বই দোকানে দেখি, এত কম সময়ে কি শেষ করা সম্ভব? আর সাধারণ জ্ঞানের পরিধিরও তো অন্ত নেই।

তাহলে কী রেখে কী পড়বো?

চিন্তার বিষয় বটে। কিন্তু প্রথম যে কাজটা করবে সেটা হলো একগাদা বই না কিনে, একটা বেসিক বই কিনবে, কেবল একটা। চোখ কান খোলা রেখে ভালো সাধারণ জ্ঞানের বইয়ের সন্ধান করো। সেটাই কিনে, সেটাই পড়।

প্রাথমিকভাবে জোবায়ের’স GK, এমপিথ্রি (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), প্রফেসর’স (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) এই বইগুলো ঘেঁটে দেখতে পারো। এমপিথ্রি বা প্রফেসর’স এর বইগুলোর দুটি ভাগ কাজেই কলেবর দেখে ঘাবড়ে যেতেই পারো। কিন্তু ভয় না পেয়ে সেখান থেকেই টুকটাক কিছু কিছু পড়া শুরু করো।

যা যা পড়তে পারো

  • পৃথিবীর দেশ-মহাদেশগুলোর পরিচিতি
  • সাগর-মহাসাগর
  • রাজধানী কিংবা মুদ্রা
  • বাংলাদেশের ইতিহাস ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান
  • বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান

এছাড়াও ভূগোলের ছাত্র হলে পৃথিবীর গঠন, জলাশয়, পাহাড় পর্বত এগুলো পড়ে ফেলো। ইতিহাসের ছাত্র হলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, পৃথিবীর অন্যান্য সংঘটিত যুদ্ধ, চুক্তি, সন্ধি বা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো জেনে ফেলো। পৌরনীতির ছাত্র হলে সরকার, সংবিধান ইত্যাদি বিষয়গুলো পড়া শুরু করো।

কিছু Random Tips

  • মাসিক কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স নিয়মিত পড়ার অভ্যাস করো।
  • সবকিছু একেবারে মুখস্ত করা লাগবে না, তবে আস্তে ধীরে কিছু কিছু জিনিস মনে রাখা শুরু করো।
  • টার্গেট করে সপ্তাহে ছোট ছোট টপিক শেষ করে নিজেকে নিজে পরীক্ষা করতে থাকো। দেখবে আস্তে আস্তে পড়া হয়ে যাচ্ছে।
  • সম্ভব হলে ঘরের দেয়ালে বাংলাদেশ আর পৃথিবীর দুটি ম্যাপ টাঙিয়ে রাখো, দিনে একবার হলেও চোখ বোলাও, তাহলেও নিজের অজান্তেই অনেক কিছু শেখা হয়ে যাবে।

তবে পড়ার তো শেষ নেই, তাই একটি দুটি বই দিয়ে সব কভার হবে সেটা আশা করাও বোকামি। কিন্তু সেটা এখনই না। আগামীতে যখন একেবারে শুধুই ভর্তির প্রস্তুতি নিয়ে আলাপ করবো, তখন আরো কী কী বই পড়তে হবে সেগুলো জানতে পারবে।

সাধারণ জ্ঞান নিয়ে নিশ্চয় আরও জানতে ইচ্ছা করছে তোমার। তবে পড়ে ফেলো আমাদের এই সিরিজের অন্যান্য ব্লগগুলো

আমরা কীভাবে তোমাকে সাহায্য করতে পারি?

মজার ব্যাপার হচ্ছে, Tickright এর Real Time Analytics দিয়ে তুমি নিজের ফলাফল নিজেই মূল্যায়ন করার সুযোগ পাবে । Progress Review তোমাকে জানাবে তোমার অগ্রগতি।

আরও জানতে পারবে অন্যদের তুলনায় তোমার প্রস্তুতি কেমন। মনে রাখবে, সাফল্য একদিনে আসবে না, তবে চর্চা চালিয়ে গেলে একদিন অবশ্যই আসবে!

HSC কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ

আর এ সবকিছু কিন্তু HSC-এর পড়া বাদ দিয়ে নয়। এমন কিছু হুট করে পড়া শুরু করো না যেটা তোমার বর্তমান বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট না। তাহলে একূল ওকূল দুকূলই ডুববে। বরং HSC-এর সাবজেক্ট গুলো রিভিশন দাও ভালোভাবে, পাশাপাশি ভর্তি পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত পড়া পড়তে থাকো।

দুটোই কিন্তু তোমার কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো গ্রেড পেলে ভর্তি পরীক্ষায়ও এগিয়ে থাকবে অনেক। মানসিক চাপ নেবার দরকার নেই। শরীর মন সুস্থ রেখে যতটা পড়া যায় পড়তে থাকো।

শেষ কথা

আসন্ন দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার জন্য তাল মিলিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া নিয়ে তোমাদের মনে যে শঙ্কা ছিল, সেটা কিছুটা হলেও দূর করার উদ্দেশ্যেই আজকের ব্লগটি লেখা। আশা করছি এর মাধ্যমে তোমরা সঠিক দিক নির্দেশনা পেয়ে যাবে।

সামনের ব্লগগুলোতে আমরা চেষ্টা করব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিটের ভর্তি প্রস্তুতির সার্বিক ধারণা দেবার। তার জন্য প্রথমেই দরকার ভর্তি সংক্রান্ত প্রাথমিক জ্ঞান। পরবর্তী ব্লগে তোমরা জানবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট ভর্তির “অ আ ক খ”।

আর এ সংক্রান্ত যে কোনো প্রশ্ন নিঃসংকোচে করে ফেলতে পারো। তোমাদের সব ধরণের সাহায্যে আমরা Tickright পরিবার পাশেই আছি। শুভকামনা!