মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাঃ সাধারণ জ্ঞান ও ইংরেজির ভয়কে করো জয়

দুই মাস পরেই লড়তে যাচ্ছ মেডিকেল ভর্তি যুদ্ধ, কিন্তু ফিজিক্স -কেমিস্ট্রি -বায়োলজির ভীড়ে ইংরেজি-সাধারণ জ্ঞান পড়ার সময় বের করতে পারছ না? এত এত টপিকের মধ্যে কোনটা রেখে কোনটা পড়বে,কীভাবে পড়বে-এসব নিয়ে ভয় লাগছে খুব?আমাদের আজকের ব্লগ তাহলে তোমারই জন্য!

তোমরা যারা আমার এই লেখাটি পড়ছো, আমি ধরেই নিতে পারি যে তোমরা আসন্ন মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ভাল করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছ,প্রস্তুতি চলছে একদম জোরেশোরে। দুই বছর আগে আমিও যখন তোমাদের মতই হিমশিম খাচ্ছিলাম কী পড়ব,কীভাবে পড়ব -এসব নিয়ে,তখন দুটো বিষয় নিয়ে আমার সবচেয়ে বেশি চিন্তা হত।ভাল কথা,তোমরা নিশ্চয়ই মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের নিয়মকানুন, মানবন্টন সব ভালমত জানো?না জানলেও অসুবিধা নেই,ঢুঁ মেরে এসো tickright এর মেডিকেল সেকশনের আগের ব্লগগুলোতে।

যা বলছিলাম, অ্যাডমিশন টেস্টের আগে বায়োলজি, ফিজিক্স কিংবা কেমিস্ট্রির বিশাল সিলেবাস শেষ করতে আমার কষ্ট হয়েছিল ঠিকই,কিন্তু আমার সবচেয়ে বেশি ভয় হত ইংরেজি আর সাধারণ জ্ঞান নিয়ে।হবেই না বা কেন,এই বিষয় দুটোর নির্দিষ্ট কোন সিলেবাসই তো জানতাম না কেউ!

কিন্তু পরে পড়তে পড়তে বুঝলাম যে এতটা ভয় পাওয়ারও কিছু নেই আসলে!একটু গুছিয়ে পড়লে আর কিছু টেকনিক ফলো করলেই ব্যাপারটা অনেকটাই আয়ত্তে চলে আসে।আর সম্প্রতি প্রকাশিত নীতিমালায় সাধারণ জ্ঞানের সম্ভাব্য একটি সীমাবদ্ধ সিলেবাসের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।কথা না বাড়িয়ে চলো জেনে নেই সেগুলো!

ইংরেজিঃ

প্রথমেই আসি ইংরেজির কথায়।১০০ নাম্বারের পরীক্ষায় ১৫ নম্বর আসে ইংরেজি থেকে।সোজা কথায়, তুমি গত বারো বছরে যত ইংরেজি গ্রামার ও communicative Englishপড়েছ, তার ভিত্তিটা ঠিক কতটা মজবুত,তাই যাচাই করার একটা চেষ্টা চালানো  হয় এই ১৫ নাম্বারের মাধ্যমে। অজানা অথবা খুব কঠিন কোন টপিক থেকে প্রশ্ন আসেনা এখানে।বিগত বছরের প্রশ্নগুলো খেয়াল করলে তুমি দেখবে যে হাতেগোনা কয়টি টপিক থেকেই প্রশ্ন আসে পরীক্ষায়। দেখে নিই সেগুলো কি কি-

  • Parts of speech
  • Phrase and idioms
  • Appropriate use of preposition
  • Synonym and antonyms
  • Sentence completion
  • Use of right form of verb
  • Group verbs
  • Correction
  • Degree of comparison
  • Sentence and transformation 
  • Pronoun
  • Number 
  • Spelling 
  • Time and tense
  • Comprehension
  • Voice
  • Narration
  • Translation and proverbs
  • Adverb and inversion
  • Conditional sentence 
  • One word substitution

এগুলোর বাইরে খুব একটা প্রশ্ন আসেনা পরীক্ষায়।সবগুলোই তো বহুবার পড়ে আসা,অতি পরিচিত টপিক,তাই না?তাহলে আর ভয় কিসের। দরকার শুধু সঠিক উপায়ে প্র্যাকটিসের।বিষয়গুলোকে দুই ভাগ করে পড়তে পারো তুমি।এক ভাগে রাখবে বেসিক grammatical topics,যেমন-voice,transformation,narration,conditional sentence ,right form of verbs, sentence completion, time and tense,comprehension, number এর মত টপিক,যেগুলোর বেসিক ধারণা সবারই আছে,শুধু দরকার একটু ঝালাই করে নেওয়ার।আর কিছু বিষয় একটু মনে রাখা বা মুখস্থ ভিত্তিক,যেমন-Appropriate preposition,synonyms -antonyms,phrase and idioms, spelling,  one word substitution এগুলো। একটু পরেই বিস্তারিত বলছি কীভাবে পড়বে সেসব তা নিয়ে,তার আগে সাধারণ জ্ঞান নিয়ে কিছু কথা বলে নেই।

সাধারণ জ্ঞানঃ

এবার আসি সাধারণ জ্ঞানের কথায়।১০০ নাম্বারের পরীক্ষায় ১০ নম্বর আসে সাধারণ জ্ঞান  থেকে।সাধারণ  জ্ঞানের পুরো এই দশ নম্বরই নতুন নীতিমালা অনুযায়ী “বাংলাদেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের”  জন্য বরাদ্দ। 

কী  ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে আমাদের দেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ থেকে?

–যেহেতু এই বিষয়টি বেশ বিস্তৃত,চাইলেও সবকিছু পড়ে শেষ করা যাবেনা এই স্বল্প সময়ে।কিন্তু পরীক্ষায় ভাল করতে চাইলে বাংলাদেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত কিছু টপিক নিয়ে অবশ্যই খুব ভাল ধারণা রাখতে হবে।যেমন-

  • বাংলায় ব্রিটিশ শাসন ও অবিভক্ত ভারতবর্ষ
  • সিপাহি বিদ্রোহ
  • বঙ্গভঙ্গ 
  • পলাশীর যুদ্ধ 
  • ব্রিটিশ শাসনের অবসান
  • পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈষম্য
  • ছয় দফা
  • ভাষা আন্দোলন 
  • ১৯৫৪ ও১৯৭০ এর নির্বাচন 
  • সামরিক শাসনকাল
  • ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান 
  • ৭ই মার্চের ভাষণ
  • জাতীয় পতাকার ইতিহাস 
  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 
  • অপারেশন সার্চলাইট
  • প্রবাসী বাংলাদেশী 
  • মুজিবনগর সরকার ও মন্ত্রিপরিষদ 
  • বিভিন্ন সেক্টর ও কমান্ডার 
  • মিত্রবাহিনী
  • গেরিলা যুদ্ধ ও ক্র্যাক প্লাটুন 
  • বীরত্বসূচক উপাধি
  • বিভিন্ন বিশেষ বাহিনী 
  • বাংলাদেশের সংবিধান 
  • মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক স্থাপনা ও ভাস্কর্য 
  • মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়কার রাজনৈতিক অবস্থা
  • জাতীয় শোক দিবসের ইতিহাস 
  • ১৯৯০ এর গণঅভ্যুত্থান 

এই টপিকগুলো তুমি যেকোন সাধারণ জ্ঞান বই থেকেই পড়তে পার।পাশাপাশি আরেকটা কথা না বললেই নয়,অবশ্যই তোমরা দশম শ্রেণির “বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়” বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়টি খুব ভাল করে পড়ে ফেলবে।তাহলে আমাদের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বেশ ভাল একটা ধারণা পাবে।

এছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক ও সাম্প্রতিক বিষয়াবলিও কিন্তু কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।যেমন-

  • মুক্তিযুদ্ধে বহির্বিশ্বের ভূমিকা
  • বিভিন্ন দেশ কর্তৃক বাংলাদেশের স্বীকৃতিপ্রাপ্তি
  • জাতিসংঘে বাংলাদেশের অবস্থান ও অবদান
  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
  • ৭ই মার্চের ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি 
  • যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
  • বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট
  • মুজিববর্ষ
  • বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের অবদান
  • বাংলাদেশের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অর্জন ইত্যাদি ইত্যাদি…. 

কিছু বিষয় কিন্তু যেহেতু বিগত বছরসমূহের প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি হয় প্রচুর,তাই অন্যান্য কিছু বিষয়ের উপর হালকা ধারণা রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।যেমন-

    ●বাংলা সাহিত্য 

    ●বাংলা সংস্কৃতির স্বতন্ত্র কিছু রীতির পরিচয়

    ●বাংলাদেশের সংবিধান

    ●জাতীয় বিষয়াবলি 

    ●নদী ও প্রাকৃতিক সম্পদ

    ●বিভিন্ন দিবস

    ●কবি সাহিত্যিকদের উপাধি ও ছদ্মনাম 

    ●বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও রাজধানী 

    ●আন্তর্জাতিক সংস্থা 

    ●বিভিন্ন দেশের সরকারব্যবস্থা

    ●ঐতিহাসিক চুক্তিসমূহ

    ●বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ

    ●খেলাধুলা 

    ●চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিভিন্ন আবিষ্কার 

    ●সাম্প্রতিক বিষয়াবলি  ইত্যাদি ইত্যাদি…

তাহলে তোমরা মোটামুটি একটা ধারণা পেলে “কী পড়বে ” তা নিয়ে।এবার আসি আমার আজকের লেখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশে–

“কোথা থেকে পড়বে ও কীভাবে পড়বে”-সে

আলোচনায়।

অর্থাৎ এবার আমি কথা বলব ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে  প্রস্তুতির Resource and strategies নিয়ে।ঝটপট জেনে নেই চলো-

১.হাতে থাকুক একটিই বই,চোখ থাকুক প্রশ্নব্যাংকেঃ

বাজারে ইংরেজির প্রস্তুতিমূলক বইয়ের যেমন অভাব নেই,তেমনি নেই সাধারণ জ্ঞানের বই এর অভাব।ইংরেজির জন্য তুমি বেছে নিতে পার Apex English, বিসিএস প্রস্তুতিমূলক ইংরেজি গাইড, Accurate English অথবা তোমার পছন্দসই যেকোন গ্রামার বই।সাধারণ জ্ঞানের জন্য পড়তে পার নতুন বিশ্ব,আজকের বিশ্ব অথবা MP3. বিষয় দুটির ওপর বিভিন্ন কোচিং সেন্টার প্রকাশিত বইও তুমি পাবে,সেগুলোও বেশ ভাল।কিন্তু মাথায় রাখতে হবে শুধু একটা কথা-“পড়বে যেকোন একটা বই এবং ওই বইটিই বারবার পড়বে।”

সাথে অবশ্যই রাখতে হবে প্রশ্নব্যাংক যেখানে থাকতে হবে বিগত কমপক্ষে দশ বছরের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা,ঢাবি খ ও ঘ ইউনিট এবং বিসিএস এর ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন। এখন তুমি Tickright কে মনে মনে একটা ধন্যবাদ জানাতেই পারো,কারণ ওরা ওদের specialised and enriched question bank এর মাধ্যমে তোমার এই কষ্ট একদমই কমিয়ে দিয়েছে! প্রশ্নব্যাংক থেকে অনেক প্রশ্ন যেমন হুবহু রিপিট হয়,তেমনি  প্রশ্নের ধরন দেখে ইম্পর্ট্যান্ট টপিক জানতে পারাটাও সহজ হয়ে যায়। সাধারণ জ্ঞানের জন্য তো বটেই,ইংরেজিতে যেসব টপিক একটু মনে রাখতে হয় বেশি সেই টপিকগুলো পড়ার জন্য প্রশ্নব্যাংক খুবই ইফেক্টিভ।

যেমন ধর, তুমি প্রশ্নব্যাংক ঘাঁটতে গিয়ে একটি প্রশ্ন পেলে- “বীরপ্রতীক উপাধিপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?” এ প্রশ্নের উত্তর জানার সাথে সাথে তুমি বীর শ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম ও বীর বিক্রমের সংখ্যাটিও পাশাপাশি জেনে নেবে।

আবার ধর, প্রশ্ন এসেছে “মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নাম কি?” তখন তুমি বাকি মন্ত্রীবৃন্দের নামও সাথেসাথে পড়ে ফেলবে।এভাবে প্রশ্নব্যাংকের সাধারণ জ্ঞান অংশটুকু শেষ করে ফেলবে।

ইংরেজির ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিটি আবার একটু অন্যরকম।আমি একটু আগে ইংরেজির টপিকগুলোকে যে দুই ভাগ করে পড়তে বলেছিলাম,প্রশ্নব্যাংক প্রথম ভাগের চেয়ে দ্বিতীয় ভাগের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দ্বিতীয় ভাগের টপিকগুলো এমন যে অনেক পড়লেও সব মনে থাকার মত নয়।এক্ষেত্রে বিগত বছরে এ টপিকের ওপর আসা প্রশ্নগুলো একটা খাতায় আলাদা করে লিখে রেখে পরীক্ষার আগে সেই খাতায় চোখ বুলিয়ে যাওয়া কিন্তু বেশ কাজের।আর প্রথম ভাগের টপিকগুলোর জন্য প্রশ্নব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু তার চাইতেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ কোন grammar বই থেকে বারবার practice করা।

২.বাদ যাবেনা একটি দিনওঃ

দেখা যায়, বাকি তিনটি বিষয় অর্থাৎ বায়োলজি, ফিজিক্স ও কেমিস্ট্রির সিলেবাস এত বেশি থাকে যে,সেগুলোর উপর বেশি জোর দিতে গিয়ে অনেকে ইংরেজি অথবা সাধারণ জ্ঞানের পেছনে তেমন সময় দেয়না।এমনটা ভুলেও করা যাবেনা।একটা কথা মনে রেখো, ভর্তি পরীক্ষায় কিন্তু এই বিষয় দুটোর নম্বরই মূলত তোমার ফলাফলের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করে।কারণ,বাকি তিনটি বিষয়ের প্রশ্ন টেক্সট বুক ভিত্তিক হওয়ায় সবাই প্রায় একই রকমেরই নম্বর পায়। তাই প্রতিদিন অন্তত একঘন্টা হলেও বরাদ্দ রাখতে হবে এই বিষয় দুটোর জন্য।যতই বিরক্ত লাগুক না কেন,প্রতিদিনই চোখ বুলিয়ে যেতে হবে ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞানে।

৩.চোখ-কান খোলা রাখোঃ

সাধারণ জ্ঞানে ভাল করতে হলে তোমার অবশ্যই সাম্প্রতিক বিষয়াবলির ওপর দখল থাকতে হবে,যদিও সিলেবাসে তার উল্লেখ নেই।এক্ষেত্রে তুমি কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স,নিউজপেপার অথবা ইন্টারনেটের কোন সোর্সের সাহায্য নিতে পার।কিন্তু আমার মতে, নিয়মিত নিউজপেপারের হেডলাইনে চোখ বোলানো হতে পারে সঠিক সিদ্ধান্ত। আর নিউজপেপারটি যদি হয় ইংরেজি ভাষার তাহলে তো কথাই নেই।একই সাথে ইংরেজি নতুন নতুন অনেক শব্দও জানতে পারবে তুমি, যা কাজে দেবে synonym -antonyms related প্রশ্নের উত্তর করায়।আর পরীক্ষার আগে time management এর জন্য তুমি এক/দুই মাসের কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স দেখে যেতে পার।ফেব্রুয়ারির প্রথমে পরীক্ষা হলে জানুয়ারি ও ডিসেম্বরের কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পড়ে যাওয়াই যথেষ্ট। 

৪.চিকিৎসকের চোখে দেখতে শেখঃ

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র যেহেতু চিকিৎসকরা প্রণয়ন করেন,সব বিষয়েই মেডিকেল রিলেটেড যেকোন প্রশ্নের দিকে তাঁদের ঝোঁক বেশি থাকে।ইংরেজিতে হতে পারে তা কোন রোগের নামের সঠিক বানান,সাধারণ জ্ঞানে হতে পারে তা চিকিৎসাবিজ্ঞান সম্পর্কিত যেকোন তথ্য।আমার মনে পড়ে,আমাদের সময় ভর্তি পরীক্ষায় সাম্প্রতিক থেকে একটা প্রশ্ন এসেছিল যক্ষ্মার চিকিৎসা নিয়ে।এত এত বিষয়ের ভিড়ে ঐ বিষয়টিই প্রশ্নকর্তার দৃষ্টি কেড়ে নিয়েছিল(এবার আশা করা যায় করোনা এই স্থান আর কাউকে দেবেনা!)।তাই এ ব্যাপারটা তোমরা মাথায় রেখো।যেখানেই চিকিৎসা বিজ্ঞান বা চিকিৎসক সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন দেখবে,সাথে সাথে অাত্মস্থ করে ফেলবে।

৫.বুঝে প্রয়োজন, হোক অনুশীলনঃ

সাধারণ জ্ঞানেও যেমন,ইংরেজিতেও তেমন- সব টপিক কিন্তু আমাদের সমান কঠিন লাগেনা।ইংরেজির অনেক টপিকের বেসিক নিয়ম আমরা সবাই ভাল করে জানি,কিছু প্র্যাকটিস করলেই প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়ে যায়, যেমন- narration,voice,translation ইত্যাদি। কিন্তু কিছু টপিক থাকে যেগুলো একটু বেশি পড়তে হয়,মনে রাখতে হয়, যেমন- synonym -antonym,phrase-idioms,proverbs এসব।তাই সেই বুঝে তুমি সময় ভাগ করে নিবে।আর অবশ্যই বেশি বেশি মডেল টেস্ট দিবে।মডেল টেস্টের জন্য যেকোন বই তুমি  বেছে নিতে পার।আর tickright তো আছেই,এখানে তুমি দিতে পারবে তোমার পছন্দমত customised  model test.আবার এখানকার Real time analytics তোমাকে তোমার প্রস্ততির গভীরতা সম্পর্কে  ধারণা দেওয়ার পাশাপাশি দেবে টপ স্কোরারদের সাথে নিজেকে যাচাই করার সুযোগ,যা তোমার আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়ে দেবে বহুগুণ। 

তাই আর দেরি না করে, নতুন উদ্যমে লেগে পড়ো ইংরেজি-সাধারণ জ্ঞানের ভয় ঝেড়ে ফেলতে,রইল অনেক অনেক শুভকামনা।আজ তবে এটুকুই।পরের ব্লগে চোখ রাখতে ভুলো না কিন্তু!